আজ-  ২৬শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ - ২৪শে মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি


সময় শিরোনাম:
«» মলগঞ্জে অবৈধভাবে গড়ে তোলা প্রায় ৩.২৯ হেক্টর পান বাগান উচ্ছেদ করেছে বন বিভাগ «» সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাবের যুগপূর্তি পালিত «» আউশক্ষেত ও শাকসবজি ক্ষতিগ্রস্তকমলগঞ্জে নদী ভাঙন; ১৫ হাজার মানুষ পানিবন্দি «» শ্রীমঙ্গলে দুই দিনে দুটি সাপ উদ্ধার, বন বিভাগের কাছে হস্তান্তর «» তিনি ইচ্ছে করলে, ডিসি এসপির চাকরি খেয়ে ফেলতেন পারেন এক টেলিফোনে «» মৌলভীবাজারে ব্যবসায়ীর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার: অভিযানে আমান উল্লাহ নামীয় এক ব্যক্তি আটক। «» দেশীয় ফলের প্রতি শিক্ষার্থীদের আগ্রহ বাড়াতেকমলগঞ্জের আম্বিয়া কেজি স্কুলে দিনব্যাপী ফল উৎসব «» কমলগঞ্জে উদ্ধারকৃত বিপন্ন লজ্জাবতী বানর চা বাগানে অবমুক্ত «» মৌলভীবাজারে সম্প্রীতি ও ধর্মীয় সৌহার্দ্য সুদৃঢ় করতে  আন্তঃধর্মীয় সংলাপ «» বগুড়া আদমদীঘিতে তিন মৎস্য খাদ্য ব্যবসায়ীর জরিমানা

বগুড়ায় হাসপাতালে চোরের আক্রমণ লকার ভেঙ্গে মূল্যবান কাগজ তসনছ

(বগুড়া) প্রতিনিধি: বগুড়ার কাহালু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রাতের আধারে চোরের হানায় প্রধান অফিস সহকারী, ক্যাশিয়ার, পরিসংখ্যান ও পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের অফিস সহকারীর কক্ষের আলমারি, লকার, টেবিলের ডয়ার ভেঙ্গে বিভিন্ন জিনিসপত্র মূল্যবান কাগজসহ বিভিন্ন জিনিসপত্র তসনছ হয়েছে। গতকাল বুধবার রাতের কোন এক সময় স্বাস্থ্য বিভাগের এবং পরিবার ও পরিকল্পনা বিভাগের দুটি জানালার গ্রীল কেটে তিনটি সিসি ক্যামেরা উল্টে রেখে সংঘবদ্ধ চোরেরা তালা ভেঙ্গে প্রবেশ করে গুরুত্বপূর্ণ কক্ষের বিভিন্ন জিনিস ও কাগজপত্র তনছন করে নির্বিঘ্নে চলে যায়। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ প্রাথমিকভাবে জানান, সংঘবদ্ধ চোরেরা বিভিন্ন জিনিসপত্র লন্ডভন্ড করলেও কোন জিনিসপত্র খোয়া যায়নি। তাদের ধারণা টাকা-পয়সা চুরির উদ্দেশে হয়তো বা চোরেরা বিভিন্ন আলমারি, লকার ও ডয়ার খুলে টাকা-পয়সা না পেয়ে বিভিন্ন জিনিসপত্র লন্ডভন্ড করে রেখে চয়ে যায়। কাহালু হাসপাতালের প্রধান অফিস সহকারী আজিজুল হক জানান, আমার কক্ষে আমি ও ক্যাশিয়ার বসি। সকালে এসে দেখি আমার কক্ষের দরজা খোলা। কক্ষে প্রবেশ করে দেখি তিনটি আলমারি ও একটি লকারের তালা ভেঙ্গে ফেলে মূল্যবান কাগজপত্র ও বিভিন্ন জিনিস ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে রয়েছে। আলমারী, লকার ও টেবিলের সবগুলো ডয়ার খোলা। পরে দেখা যায় আমার পাশের কক্ষের অন্য অফিস সহকারীর কক্ষের দুটি আলমারি, পরিসংখ্যান কক্ষের একটি আলমারি, লকার ও টেবিলের ডয়ার খোলা এবং জিনিসপত্র ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। অপরদিকে উপজেলা পরিবার ও পরিকল্পনা কর্মকর্তা শারমিন জাহান বিউটি জানান, তাঁর বিভাগের অফিস সহকারীর কক্ষের জানালার গ্রীল কেটে চোরেরা প্রবেশ করে চারটি আলমারি, একটি লকার ও বিভিন্ন টেবিলের ডয়ার খুলে বিভিন্ন জিনিস ও কাগজপত্র তছনছ করে ফেলে রেখে গেছে। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসার ডাঃ নীল রতন দেব জানান, স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশকে জানানোর পর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোছাঃ মেরিনা আফরোজ ও কাহালু থানা পুলিশ পরিদর্শন করে গেছেন। সিসি ক্যামেরা উল্টে রাখার কারণে এখনো কাউকে চিহ্নিত করা যায়নি। তিনি আরও জানান, এখানে দুজন নাইডগার্ডের পদ থাকলে দীর্ঘদিন যাবত এই দুটি পদের লোক এখানে নেই। যারফলে রাতের আধারে সংঘবদ্ধ চোর এই ঘটনা ঘটিয়েছে। এ বিষয়ে বগুড়া কাহালু থানার উপ-পরিদর্শক  মাসুদ করিম জানান, আমি নিজে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিদর্শন করেছি। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দেওয়া অভিযোগ খুবই গুরুত্বের সাথে তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।